আপন সরদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারি ব্যবসায়ী হারুন খালাসী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের আগে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হারুন খালাসীকে অচেতন করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় সাবেক নারী কর্মচারী মীম ও তার সহযোগী রানাকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় ফতুল্লার রিয়া গোপ স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ‘হিমা হোসিয়ারি অ্যান্ড গার্মেন্টস’-এ এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত হারুন খালাসী (৪২) সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি রাব্বানী নগর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বে চুরির অভিযোগে চাকরিচ্যুত হওয়া মীম ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতনের টাকা লুটের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সকালে হারুন খালাসীর সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনরায় সখ্যতা গড়ে তোলে সে।
একপর্যায়ে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হারুনকে অচেতন করা হয়। পরে অফিস কক্ষে নিয়ে কাপড়ের সুতলি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে মীম।
হত্যার পর শ্রমিকদের বেতনের টাকা ও হারুনের ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে পুলিশের অভিযানে মীমের দেখানো মতে তার বাড়ির ছাদ থেকে লুণ্ঠিত মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, “প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”