নিজস্ব প্রতিবেদন
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেহেরপাড়া গ্রামের দিঘীরপাড়-কাঁচিকাটা সড়কের লিটু খার বাজারের পেছনের অংশে বৃষ্টির পানিতে ভেঙে যাওয়া সড়ক তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করে দিয়েছেন ওয়ার্ড সদস্য খোকন হালদার। এতে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দা ও মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে লিটু খার বাজারের পেছনের অংশে সড়কের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের ওই অংশ দিয়ে চলাচলের সময় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। সড়কটি স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় ভাঙন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
বিষয়টি নজরে আসার পর দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার খোকন হালদার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নেন। তিনি ভেঙে যাওয়া অংশে বালুর বস্তা দিয়ে মেরামতের ব্যবস্থা করেন। এতে আপাতত যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক মাসুদ রানা বলেন, বৃষ্টির পর সড়কের ওই অংশ ভেঙে যাওয়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগছিল। সামান্য অসতর্ক হলেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। দ্রুত বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙা অংশ ঠিক করে দেওয়ায় এখন অনেকটা স্বস্তিতে চলাচল করা যাচ্ছে।
বেহেরপাড়া গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, “রাস্তার অংশটি ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিদিন চলাচলের সময় দুর্ভোগ হচ্ছিল। বিশেষ করে রাতে ঝুঁকি বেশি ছিল। মেম্বার খোকন হালদার দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আপাতত আমাদের চলাচলের সমস্যা কমেছে।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বৃষ্টির কারণে রাস্তা ভেঙে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙা অংশ ঠিক করে দিয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছে।”
এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, “ভাঙা জায়গাটি দিয়ে মোটরসাইকেল চালানো কঠিন ছিল। এখন বালুর বস্তা দেওয়ায় আগের চেয়ে নিরাপদে চলাচল করা যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা খুশি।”
স্থানীয়রা জানান, বালুর বস্তা দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙা অংশটি চলাচলের উপযোগী করা হলেও ভবিষ্যতে বৃষ্টিতে যাতে আবার সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কার হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ কমবে।