1. news@dailybikrampurnews24.online : বিক্রমপুর নিউজ.২৪ : বিক্রমপুর নিউজ.২৪
  2. info@www.dailybikrampurnews24.online : বিক্রমপুর নিউজ.২৪ :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তেলের সংকটে অচল চরাঞ্চল—মোটরসাইকেল বন্ধ, বিপাকে হাজারো মানুষ টঙ্গীবাড়িতে ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের বসতঘর ভেঙে নেওয়ার অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে বিএনপির তৃণমূল থেকে উঠে আসা নারী নেত্রী পাপিয়া ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মুন্সীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে উঁকি দেওয়ার অপবাদ দিয়ে থাপ্পড় মেড়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক ১ কোনো দোষ নেই’—দাবি পরিবারের, তবুও এক মাসের কারাদণ্ড বন্দর ও করিডোর নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: ড. ইউনূস জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করতে চাই: অধ্যাপক আলী রীয়াজ শিক্ষাঙ্গনে লাশের মিছিল আর দেখতে চায় না দেশবাসী : ডা. শফিকুর রহমান ঈদুল আজহা সামনে রেখে হাটে আসছে কোরবানির পশু দেড় বছর পর ফিরলেন টয়া

তেলের সংকটে অচল চরাঞ্চল—মোটরসাইকেল বন্ধ, বিপাকে হাজারো মানুষ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

 

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড়—নদীবেষ্টিত দুর্গম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা ছিল ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। কিন্তু হঠাৎ দেশে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে এসব মোটরসাইকেলের চলাচল। এতে প্রায় ৫০০টির বেশি মোটরসাইকেল চালক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, আর স্থানীয় মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকায় কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। নদীপথ ও কাঁচা রাস্তার কারণে মোটরসাইকেলই দ্রুত চলাচলের একমাত্র মাধ্যম ছিল। জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে অধিকাংশ মোটরসাইকেল অচল হয়ে পড়েছে।

এতে করে স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে চরম কষ্টসাধ্য। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছে দিতে পারছেন না। অনেককে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মাথায় করে কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রতিদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতাম। এখন তেল না থাকায় গাড়ি বের করতে পারছি না। সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে।”

আরেক চালক সোহেল মিয়া বলেন, “এই মোটরসাইকেলই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। হঠাৎ করে তেলের অভাবে আমরা বেকার হয়ে পড়েছি। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, “আগে মোটরসাইকেলে ২০-৩০ মিনিটে বাজারে যাওয়া যেত। এখন হেঁটে যেতে ২-৩ ঘণ্টা লাগে। এতে সময় ও কষ্ট দুটোই বাড়ছে।”

গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, “বাচ্চা অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়া খুব কঠিন হয়ে গেছে। কোনো যানবাহন পাওয়া যায় না, অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়।”

কৃষক মজিবর রহমান জানান, “আমাদের সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল সময়মতো বাজারে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।”

এলাকাবাসী দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, চরাঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট