শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে মান্দ্রা গ্রামবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জ সদরের চর বাংলাবাজারে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদান, জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগ টংগীবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেপ্তার, ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার টঙ্গীবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে মাদক ও চুরির মামলাসহ ৬ আসামি গ্রেপ্তার টঙ্গিবাড়ীতে পাটের জাক ভিজানো নিয়ে বিরোধ, গৃহবধূকে কুপিয়ে আহতের অভিযোগ নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আব্দুল সালাম আজাদ, দিঘীরপাড় সেতু নির্মাণে উদ্যোগের আশ্বাস সিরাজদিখানে অনৈতিক কাজে আটক জমির মুন্সি বিএনপি থেকে বহিষ্কার হতে পারেন কোচিং বাণিজ্যের জাঁতাকলে রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়: শিক্ষকদের সিন্ডিকেট, শিক্ষার্থীদের ওপর ‘পড়াশোনার মানসিক নির্যাতন’! টঙ্গিবাড়ীর উন্নয়ন ও জনসেবা নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে এমপি মমতাজ আলোর বৈঠক

তেলের সংকটে অচল চরাঞ্চল—মোটরসাইকেল বন্ধ, বিপাকে হাজারো মানুষ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

 

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সিগঞ্জের সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড়—নদীবেষ্টিত দুর্গম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা ছিল ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। কিন্তু হঠাৎ দেশে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে এসব মোটরসাইকেলের চলাচল। এতে প্রায় ৫০০টির বেশি মোটরসাইকেল চালক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, আর স্থানীয় মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকায় কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। নদীপথ ও কাঁচা রাস্তার কারণে মোটরসাইকেলই দ্রুত চলাচলের একমাত্র মাধ্যম ছিল। জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে অধিকাংশ মোটরসাইকেল অচল হয়ে পড়েছে।

এতে করে স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে চরম কষ্টসাধ্য। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছে দিতে পারছেন না। অনেককে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মাথায় করে কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রতিদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতাম। এখন তেল না থাকায় গাড়ি বের করতে পারছি না। সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে।”

আরেক চালক সোহেল মিয়া বলেন, “এই মোটরসাইকেলই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। হঠাৎ করে তেলের অভাবে আমরা বেকার হয়ে পড়েছি। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, “আগে মোটরসাইকেলে ২০-৩০ মিনিটে বাজারে যাওয়া যেত। এখন হেঁটে যেতে ২-৩ ঘণ্টা লাগে। এতে সময় ও কষ্ট দুটোই বাড়ছে।”

গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, “বাচ্চা অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়া খুব কঠিন হয়ে গেছে। কোনো যানবাহন পাওয়া যায় না, অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়।”

কৃষক মজিবর রহমান জানান, “আমাদের সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল সময়মতো বাজারে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।”

এলাকাবাসী দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, চরাঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews