
টঙ্গিবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নে ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানানো বিএনপির নেতাকর্মীদের ছবি-সংবলিত একটি শুভেচ্ছা ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা এবং এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় কামারখাড়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, কামারখাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আল আমিন মাল ঈদ উপলক্ষে একটি শুভেচ্ছা ফেস্টুন টানান। ফেস্টুনটি লাগানোর কাজ করেন তাঁর কর্মী সাগর। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য মামুন পেয়াদার বিরুদ্ধে ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা এবং সাগরকে মারধরের অভিযোগ তোলেন তারা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল জব্বার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুন মোল্লা ও ফারুক হোসেন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কানন গোলদার, সদস্য জাকির দেওয়ান, উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহসভাপতি আজিজ হাওলাদার, কামারখাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল মালেক ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন শেখ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা, মো. সাগর, আব্দুল করিম সুমন, ইউনিয়ন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মোতালেব হোসেন শেখ, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল ঢালী, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শেখ বাবু ও কাজী সেলিম, দিঘিরপাড় ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোস্তফা গাজী এবং কামারখাড়া ইউনিয়ন শ্রমিকদল নেতা ইব্রাহিমসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মামুন পেয়াদা বলেন, তিনি কোনো ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেননি। তবে ফেস্টুন টানানোর সময় পেরেক ব্যবহার না করার জন্য বলেছিলেন। তার দাবি, নির্দেশনা অমান্য করে পেরেক ব্যবহার করা হয়েছে।
সাগরকে মারধরের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, “সাগর আমার এলাকার ছোট ভাই। ছোটবেলা থেকেই সে আমার বিভিন্ন কাজকর্মে সহযোগিতা করত। সম্প্রতি সে আমার সঙ্গে বেয়াদবি করায় শাসনের উদ্দেশ্যে তাকে একটি থাপ্পড় দিয়েছি।”