
শ্রীনগরে শিক্ষা উপকরণ মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত, মেধা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে গুরুত্বারোপ
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি :
জেলা প্রশাসন, মুন্সীগঞ্জের উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসন, শ্রীনগরের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে “শিক্ষা উপকরণ মেলা-২০২৬, আলোচনা সভা ও একাডেমিক এক্সিলেন্স পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) শ্রীনগর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাছিবুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম রাব্বানী সোহেল, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি মেলায় অংশগ্রহণকারী ১৪টি প্রাথমিক ও ১৪টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল শিক্ষা উপকরণ, বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
স্টল পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের উপস্থাপনা দক্ষতা, নতুন নতুন ধারণা এবং শিক্ষা উপকরণের মানের প্রশংসা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান অর্জনই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা ও নৈতিক মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভবিষ্যতে জেলা পর্যায়েও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং শিক্ষকদের শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষা উপকরণ মেলায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষকের হাতে একাডেমিক এক্সিলেন্স পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।