মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজদিখানে মাদক, জুয়া ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জব্দকৃত মাটি কৃষিজমিতে ফেরত দিল টঙ্গীবাড়ী প্রশাসন, অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় পদ্মার বুকে দুই শতকের ঐতিহ্য, দিঘিরপাড়ের ভাসমান পাটের হাটে কোটি টাকার বেচাকেনা টংগিবাড়ীতে চোর সন্দেহে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ২ জন আটক মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মানিকপুরে জামায়াত নেতার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়কবাতি স্থাপন  বেতকা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনের নির্বাচনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টঙ্গিবাড়ীতে বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ উপহার দিলেন সাইফুল ইসলাম চঞ্চল মাতবর টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপ অপসারণ ও বিনষ্ট টঙ্গিবাড়ীতে চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাইসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

২৪ ঘন্টায় হারুন খালাসী হত্যা রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

 

আপন সরদার, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতনের টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনায় এক হোসিয়ারি কারখানার মালিককে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক নারী কর্মচারী মীম আক্তার ও তার সহযোগী রানাকে আটক করেছে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফতুল্লার রিয়া গোপ স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় সায়েম আল আরাফাতের বাড়ির নিচতলায় অবস্থিত ‘হিমা হোসিয়ারি অ্যান্ড গার্মেন্টস’-এ এ ঘটনা ঘটে। নিহত হারুন খালাসী (৪২) সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি রাব্বানী নগর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে চুরির অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা সহ ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হন মীম। ওই ঘটনার ক্ষোভ এবং ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতনের বড় অঙ্কের টাকা লুটের উদ্দেশ্যে সহযোগী রানাকে নিয়ে পরিকল্পনা করেন তিনি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সকালে হারুন খালাসীর সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনরায় সখ্যতা গড়ে তোলেন মীম। একপর্যায়ে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হারুন খালাসীকে অচেতন করা হয়। পরে অফিস কক্ষে নিয়ে কাপড়ের সুতলি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে মীম।

হত্যার পর শ্রমিকদের বেতনের টাকা এবং হারুন খালাসীর ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় মীম ও রানা। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মীমের দেখানো মতে তার বাড়ির ছাদ থেকে লুণ্ঠিত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ছোট ভাই সেলিম খালাসী অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে প্রথমে মরদেহ একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হয়, পরে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য প্রায় ২০ জন শ্রমিক কারখানায় অপেক্ষা করছিলেন। নির্ধারিত সময়ের কিছু পর মালিক এসে শ্রমিকদের অপেক্ষা করতে বলে মীমসহ কয়েকজনকে নিয়ে অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। দীর্ঘ সময় পর তাকে অচেতন অবস্থায় বের করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় মীমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার সহযোগী রানাকেও আটক করা হয়েছে। তাদের দেখানো মতে লুণ্ঠিত টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, “প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একাধিক টিম কাজ করছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews